মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

মেঘনা নদীর ইতি কথা-

আমাদের জীবন-জীবিকা নদী নির্ভর, যেকোন মূল্যে নদী বাঁচাও
নদীমাতৃক বাংলাদেশের ভূমিগঠন থেকে সভ্যতা, সংস্কৃতি, কৃষি, যোগাযোগ-সব কিছুই প্রধানত নদীর দান। বাংলাদেশ হচ্ছে নদী নির্ভর দেশ। নদ-নদী গুলোই বাংলার প্রাণ। নদ-নদীর সঙ্গেই আবর্তিত এই ভূখন্ডের সভ্যতার ইতিহাস। নদীর তীরে তীরে মানুষের বসতি, কৃষির পত্তন, গ্রাম, নগর, বন্দর, সম্পদ, সম্মৃদ্ধি, শিল্প-সাহিত্য, ধর্ম-কর্ম সব কিছুর বিকাশ ।বাংলাদেশের প্রধান নদী ধারা গুলোর একটি বিশেষত্ব হলো সব গুলো ধারাই হচ্ছে হিমালয় নির্ভর। অর্থাৎ আমাদের সব নদীর উৎস হচ্ছে হিমালয় পর্বতমালা। ফলে ঐ অঞ্চলের প্রকৃতিতে যেকোনো পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে প্রভাব ফেলে আমাদের নদীত গোটা বাংলাদেশে।  

বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা অগনিত হলেও কোনটাই বিচ্ছিন্ন নয়। একে অন্যের সাথে প্রাকৃতিক নিয়মে সুশৃঙ্খল ভাবে সংযোজিত। সারাদেশে নদ-নদী জালের মতোবি¯তৃত হয়ে আছে যা অঞ্চল ভেদে বৈচিত্রময় ও মনোহর। বাংলাদেশের নদী-নালাকে চারটি নদী প্রণালীতে বিভক্ত করা যায়। যথা: এক. গঙ্গা নদী প্রণালী, দুই. ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী প্রণালী, তিন. মেঘনা নদীপ্ রণালী চার. দক্ষিন পূর্বাংশের কর্ণফুলি নদী।

মেঘনা: অন্যতম নদী বন্দর মেঘনা তীরে চাঁদপুরে  মেঘনা নদী চাঁদপুর উপজেলার শহরের কোল গেছে পশ্চিম দিক দিয়ে বরিশাল হয়ে বঙ্গপসাগরে প্রতিত হয়েছে।ভারতের নাগা মনিপুর থেকে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুই শাখায় বিভক্ত হয়েছে যা দক্ষিনে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নামধারণ করেছে। মেঘনা ভৈরবে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে চাঁদপুরে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে। এর উপনদী হচ্ ছেব্রহ্মপুত্র, গোমতি, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী, ডাকাতিয়া। বাংলাদেশের প্রধান

যার শীত হাওয়ায় চাঁদপুর শহর সৈান্দর্য্য মন্ডিত। এমকি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

প্রতিবেদক- কামরুজ্জামান বাবু, উদ্যোক্তা , রামপুর ইউআইএসসি।